নীরব মায়ার বাঁধন

22 Feb 2026, 03:29 PM কাভার জুটি শেয়ার:
নীরব মায়ার বাঁধন

ইট-পাথরে ঘেরা শহরের কোলাহল ছাপিয়ে, এক চিলতে ভালোবাসার গল্প নিয়ে আসছেন তরুণ অভিনয়শিল্পী নীরব হোসাইন ও মায়া রহমান। ইতোমধ্যে এই জুটি কাজ করেছেন একটি ধারাবাহিক ও একাধিক খ-নাটকে। নাটকে নীরব হোসাইনের গভীর চাহনি আর মায়া রহমানের স্নিগ্ধ হাসির এক অদ্ভুত মায়ায় ঘেরা তাদের রসায়ন ফুটে উঠেছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এই বিশেষ দিনটিকে আরও রঙিন করতে আনন্দভুবন-এর বিশেষ আয়োজনে থাকছেন এই জুটি। নীরব ও মায়ার ভালোবাসার গল্পে রাঙিয়ে নিন আপনার ভ্যালেন্টাইন্স ডে। বিস্তারিত লিখেছেন শেখ সেলিম...


এখন বিনোদনের সবচেয়ে বড়ো মাধ্যম ইউটিউব ও ওটিটি প্লাটর্ফম। এই প্লাটফর্মের দৌলতে দর্শক ঘরে বসেই অনলাইনে বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দেখতে পারছেন অনায়াসে। এতে যেমন সুফল পাচ্ছেন মিডিয়ার সংশ্লিষ্টরা। আগে যেখানে একজন শিল্পী মাসে ৪-৫টি নাটকে কাজ করতে পারতেন, আজ সেখানে প্রায় প্রতিদিনই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে তাকে। শুধু তাই নয়, এই প্লাটফর্ম থেকে উঠে আসছে অনেক নতুন মুখও। এদের দুইজন হচ্ছে হোসাইন নীরব ও মায়া রহমান। যারা ইতোমধ্যে বেশকিছু কাজ করে তাদের অবস্থান শক্ত করেছেন।

কাজের পরিধি বাড়ায় দুজনেই এখন দারুণ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই প্রসঙ্গে নীরব বলেন, আগে বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল টেলিভশন। এখন এর পরিধি অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে ওটিটি প্লাটফর্ম আসায় এখন কমবেশি সবাই ব্যস্ত সময় পার করছেন, দর্শকও অবসর সময়ে দেখে নিতে পারছেন তার প্রিয় অনুষ্ঠানগুলো। শুধু তাই নয়, ওটিটি প্লাটফর্মের কারণে আমাদের কাজগুলো দেশ ছাড়িয়ে দেশের বাইরেও দেখা যাচ্ছে। শিল্পীদের পাশাপাশি টেকনিশিয়ানদেরও কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। আর মিডিয়ার সবাই কাজের ব্যাপারে সবাই আরো বেশি যতœবান হয়েছেন। কারণ আমাদের কাজগুলো গোটা বিশ্বের দর্শক দেখছেন।

মায়া রহমান নীরবের সঙ্গে একমত হয়ে বলেন, যেহেতু ওটিটি বিশ্বব্যাপী দেখা যাচ্ছে, সেইসঙ্গে ইউটিউভ চ্যানেল ব্যাপকতায় কাজের পরিধির পাশাপাশি শিল্পী, নির্মাতা, কলাকুশলি সবারই কাজ বেড়ে গেছে। এর ফলে নতুনরাও তাদের কাজ দেখানোর সুযোগ পেয়েছে।

মায়ার ক্যারিয়ারের বয়েস দুইও ছোঁয়নি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য কাজ করে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন।

মায়া রহমান নাটক ভালোবাসতেন, প্রচুর নাটকও দেখতেন। বিশেষ করে লকডাউনের দিনগুলোতে একদিনে একাধিক নাটক দেখতেন। বলতে গেলে সময়টা পার হতো নাটক, সিনেমা দেখেই। একটা নাটক দেখতেন আর মনের ভেতরে একেটা গল্প তৈরি করতেন, ইস এই রকম গল্প নিয়ে যদি নাটক হতো। গল্পগুলো ভুলে যাবেন বলে লিখে রাখতেন কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতেন।

নাটক-সিনেমা ভালোবাসলেও কখনো ভাবেননি অভিনয়ে নাম লেখাবেন, কিন্তু প্রকৃতির চাওয়াকে এড়িয়ে যাবেন কীভাবে ? প্রকৃতি তো তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছেন। তিনি সেটা বুঝতেও পারছিলেন, যখন বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন তাকে অ্যাশ বলে ডাকতেন, অ্যাশ মানে বলিউডের একসময়ের হার্টথ্রব অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায়। প্রশংসা শুনতে কার না ভালো লাগে, মায়া রহমানেরও ভালো লাগত, তবে অকপটে স্বীকারও করলেন মানুষ যেভাবে বলেন, ততটা সুন্দর নন তিনি, ঐশ্বরিয়া রায় আরো অনেক বেশি সুন্দর।

কোভিডের পর কলেজ মাড়িয়ে শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটিতে ফ্যাশন ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হন। ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ফেসবুকের দৌলতে অভিনয়ের অফার আসতে থাকে মায়ার। শুধু বাংলাদেশ থেকে নয় ওপার বাংলার থেকেও অনেকে যোগাযোগ করেন মায়ার সঙ্গে। ওপার বাংলার নির্মাতারা ভেবেছিলেন, মায়া কলকাতার মেয়ে! তাই আর তাদের সাথে কাজ করা হয়ে ওঠেনি।

এই প্রসঙ্গে মায়া বলেন, সবাই যেহেতু এখানে কাজ করতে বলছেন, তাই একটু একটু করে আমার ইচ্ছে হচ্ছিল কাজ করি, সেই চিন্তা থেকেই ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে ‘শুধুই তুমি’ শিরোনামের নাটকে প্রথম অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হই এবং সেই নাটকের গল্পটিও আমার ছিল। নাটকটি পরিচালনা করেন বাপ্পি খান।

সহশিল্পী ছিলেন ইরফান সাজ্জাদ। সিনে মেট্রো ইউটিউবে নাটকটি প্রচার হয়।

প্রথম অভিনয় করেই প্রশংসিত হন। তার প্রমাণ মেলে তার অভিনীত প্রথম নাটকটি অল্পদিনেই মিলিয়ন ভিউজ ছাড়িয়ে যায়। প্রথম নাটকের পর অনেকেই মায়াকে নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু সবার আগে পড়াশোনা, পড়াশোনার কথা নিয়মিতভাবে কাজ করেন নি তিনি।

সব গল্প ভালোও লাগত না, যেটা ভালো লাগত, সেটা করতেন, বিরতি নিয়ে দ্বিতীয় কাজ করলেন ‘যখন তুমি এলে’ নাটকে। সেই নাটকে তার সহশিল্পী হন পার্থ শেখ। এই নাটকটিও বেশ দর্শকপ্রিয়তা পায়।

মায়া রহমানকে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি এনে দেয় ‘তাকদীর’ নাটকটি। নাটকটি দুই কোটিরও বেশি দর্শক দেখেছেন। এই নাটকে মায়ার সহশিল্পী ছিলেন নির্জন নাহুয়েল। এছাড়াও মায়া অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে ‘হায়েনা’, ‘ব্যাচেলর বউ’, ‘তোমার মন পাড়ায়’, ‘বুকের পাঁজরে’, ‘বাজি’ প্রভৃতি।

হোসাইন নীরব ছেলেবেলা থেকেই নাটকের পোকা ছিলেন। প্রচুর নাটক দেখতেন। নাটক দেখতে দেখতেই নাটকের প্রতি একটা ভালোবাসা তৈরি হয়। বিশেষ করে মোশাররফ করিমের অভিনয় তার ভালো লাগত, তার অভিনয় দেখে অভিনয়ের প্রতি দুর্বল হন নীরব। মোশাররফ করিম অভিনীত ‘কেরাম’ নাটকটি দেখার পর অভিনয়ের প্রতি প্রবল ইচ্ছে কাজ করে। স্বপ্নটাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ শুরু করলেন। বন্ধুর পরামর্শে ‘দেশ নাটকে’র সঙ্গে য্ক্তু হলেন নীরব। এর মধ্যে সুযোগ আসে রবির একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করার। করলেন ; প্রশংসাও কুড়ালেন। এরপর বেশকিছু রবির বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হন নীরব।

বিজ্ঞাপনচিত্রটি দেখেই ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে দীপ্ত টিভি থেকে ডাক আসে নীরবের। নীরব সরব হলেন নাটকে। ‘পালকি’ নাটকের জন্য অডিশন দিলেন উত্তীর্ণও হলেন। তিনি বলেন, সেখানেও আমি উত্তীর্ণ হই। এক কথায় আমি এই পর্যন্ত যতগুলো বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছি, একটি প্রতিযোগিতার মধ্যে গিয়ে টিকেছি।

বর্তমানে মায়া রহমান ব্যস্ত রয়েছেন মেজবাহ উদ্দিন সুমনের রচনা ও পরিচালনায় একটি ধারাবাহিক নাটককের কাজ নিয়ে। নাটকটিতে মায়ার সহশিল্পী হোসাইন নীরব। এটি নীরবের সাথে মায়ার প্রথম কাজ। নীরবের সঙ্গে কাজ করা প্রসঙ্গে মায়া বলেন, তার সাথে কাজ করে ভালো লেগেছে। কাজ করতে গিয়ে মনেই হচ্ছে না তার সাথে প্রথম কাজ করছি। সহশিল্পীর সঙ্গে সবচেয়ে বড়ো বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, দুজনের রসায়ন, নীরবের সাথে আমার বেশ রসায়ন হচ্ছে। একজন সহশিল্পী যখন সংলাপের সঠিক রি-অ্যাকশন দেবে, তখন অন্যশিল্পীও বেশ ভালোভাবে তার সংলাপটি ডেলিভারি দিতে পারে। সেটা নীরবের সাথে খুব ভালোভাবে হচ্ছে, কীভাবে হয়েছে জানি না।

নীরব সম্প্রতি বেশকিছু নাটকে কাজ করেছেন। এরমধ্যে কয়েকদিন আগে শেখর মাল্টিমিডিয়ায় আপলোড করা হয়েছে নাটক ‘মরণের পরে’। এই নাটকে আমার সহশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন মাহিমা। কাজ শেষ করলাম ফয়সাল খান শুভ’র পরিচালনায় ‘সেই আমি নেই আমি’ জহির করিমের রচনা ও ‘বেঁধেছি আমার প্রাণ’ এই নাটকে আমার সহশিল্পী মায়া রহমান, মেজবাহ উদ্দিন সুমন ভাইয়ের রচনা ও পরিচালনায় ‘আয়নাঘর’, এই নাটকটি খুব শিগ্গিরই বিটিভিতে প্রচার শুরু হবে। এছাড়া আসন্ন ঈদের জন্য কয়েকটি কাজের কথা চলছে।

নীরব এখন কাজের ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক। যেকোনো গল্প হলেই কাজ করছেন না। যে-গল্পটি ভালো লাগে বা দর্শকরা যে-গল্পটি দেখতে চান সেই ধরণের গল্পেই কাজ করার চেষ্টা করেন তিনি।

ওটিটি প্লাটফর্মে দুটি কাজ করেছেন নীরব একটি ‘মরীচিকা’ অন্যটি সিন্ডিকেট। দুটিই নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন।

ইউটিউব ও ওটিটি প্লাটফর্ম দুই মাধ্যমকে কীভাবে দেখেন? নীরব বলেন দুই মাধ্যমই এখন বেশ জনপ্রিয়। ইউটিউবটা একটু বেশি মানুষ দেখেন, কারণ এটা ফ্রি সাবস্ক্রাইব করা যায়, আর ওটিটিতে মেপে করতে হয়। ওটিটির প্রোডাকশনে বাজেট বেশি থাকে, তাই কাজটাও ভালো হয়। তবে আমার কাজ দিয়ে হলো কথা। দর্শক কাজটা দেখে প্রশংসা করলেই আমার ভালো লাগে। সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার হলো ডেডিকেশন থাকা। আমি যে মাধ্যমেই কাজ করি না কেন, আমার ডেডিকেশন ভালো থাকলে, দর্শক কাজটা দেখে আনন্দ পান।

নীরব-প্রসঙ্গে মায়া বলেন, নীরবের কিছু কাজ দেখেছি। তিনি খুব ভালো অভিনয় করেন। ব্যক্তি নীরবকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন, মায়া বলেন, একজন মানুষের সঙ্গে যখন কাজ করা হয় তখন দুই-তিনদিন কিন্তু শুটিংয়ে একসাথে থাকা হয়। তখন তার ব্যক্তিগত অনেক কিছুই প্রকাশ পায়। আমার কাছে মনে হয়েছে তিনি খুব পজেটিভ মনের একজন মানুষ। সহশিল্পীকে সাপোর্ট করেন। কাজ করতে গিয়ে আমাদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। ধারাবাহিক নাটকের পাশাপাশি তার সাথে আরো দু’টি নাটকে কাজ করা হয়েছে। একটি ‘সেই আমি নেই আমি’, অন্যটি এনটিভিতে প্রচারিত ‘ব্যাচেলরের বউ’ নাটকটিও বেশ প্রশংসা পায়।

মায়ার সাথে পরিচয় প্রসঙ্গে নীরব বলেন, মায়া প্রথম আমি ‘তাকদীর’ নাটকে দেখি। এরমধ্যে মেজবাহ উদ্দিন সুমন ভাই তার একটি ধারাবাহিক নাটকের জন্য আমাকে বলেন, আমি সবসময় কাজের সুবিধার্থে সহশিল্পীর কথা জেনে নিই, সেইভাবে সুমন ভাই মায়ার কথা আমাকে বলেন, তখন আমি মায়াকে চিনতে পারলাম। আমাদের শুটিং শুরু হলো, প্রথম সাক্ষাৎতেই ভালো লাগল, ওর অভিনয়ও ভালো লাগল, কেন যেন কারো ভালো অভিনয় দেখলে আমি তার ফ্যান হয়ে যাই। সেখান থেকেই আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ব্যক্তির মায়া প্রসঙ্গে নীরব বলেন, মায়ার ভেতরে অনেক গুণ রয়েছে, ওর উপর ভরসা করা যায়।

ওটিটিতে কাজ করা প্রসঙ্গে মায়া বলেন, ওটিটিতে এখনো কাজ করা হয়ে ওঠেনি। কথা চলছে। খুব শিগ্গির দেখতে পাবে। বড়োপর্দা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পরিকল্পন নেই। কোন ধরনের গল্প বেশি ভালো লাগে, মায়া বলেন, রোমান্টিক গল্পগুলো বেশি ভালো লাগে। এর মধ্যে ক্রেজি টাইপের রোমান্টিক গল্প বেশি পছন্দ আমার। কারণ, বিচ্ছেদের গল্পগুলো দর্শককে হিট করে। কেউ যদি কাউকে হিট করে সেটা কিন্তু দীর্ঘদিন মনে থাকে।

লেখালেখির কী অবস্থা জানতে চাইলে মায়া বলেন, এখনো লিখছি। কাজ আর হয়নি। আমার গল্পগুলো সেইসব নির্মাতার হাতে তুলে দিতে চাই, যিনি যতœ নিয়ে কাজ করতে পারবেন।

ফ্যাশনের ওপর গ্রাজুয়েরশন শেষ করলাম যেহেতু ফ্যাশন নিয়ে পড়াশানো। এটা নিয়ে আমার পোশাকের ব্যবসার পরিকল্পনা রয়েছে।

দু’জনই এখন বেশ ভালো অবস্থানে আছেন। একসঙ্গে কাজ করতে করতে তাদের মধ্যে একটা ভালো বন্ধুত্বও তৈরি হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়ে আসছে ‘ভালোবাসা দিবস’। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয় ভালোবাসার সংজ্ঞার্থ, নীরবের কাছে ভালোবাসার সংজ্ঞার্থ হচ্ছে এমন- ‘ভালোবাসা আমার জন্য অক্সিজেন। ভালোবাসা আমার কাছে একটুকরো শান্তি যা আমাকে সারাদিন নিজের অজান্তেই হাসতে শেখায়। দিনশেষে তার হাতটি ধরে বলতে ইচ্ছে করে, তোমাকে ছাড়া আমার চলবে না।’ ভালোবাসা বলতে আমি বুঝি একটু খুনসুটি, একটু অভিমান। একেকজনের কাছে ভালোবাসার সংজ্ঞার্থ একেক রকম।

মায়া বলেন, যেহেতু আমার স্পেশাল কেউ নেই, তাই বিশেষভাবে এই দিনটাতে আমার বের হওয়া হয় না। পরিবারের সাথেই থাকি, পরিবারের সাথেই ভালোবাসাটা শেয়ার করা হয়। ভালোবাসাটা তো আর গার্লফ্রেন্ড আর বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধতা নয়, যাদের সাথে ভালো সম্পর্ক তাদের সাথেই আমার ভ্যালেন্টাইন্স। আমার কাছে ভালোবাসার সংজ্ঞার্থ হচ্ছে সেল্ফনেস [নিঃস্বার্থ] ।

ভালোবাসার মানুষ না-থাকলেও মায়া মনে করেন ভালোবাসার মানুষকে আমার সাথে কানেক্ট থাকতে হবে। যার ভেতরে সেল্ফনেস বিষয়গুলো দেখব তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে নিতে পারি।