1. amin@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন
  2. tajharul@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৩ আশ্বিন ১৪২৭

মোট আক্রান্ত

৩৪৪,২৬৪

সুস্থ

২৫০,৪১২

মৃত্যু

৪,৮৫৯

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৯৩,২২৭
  • চট্টগ্রাম ১৮,১১৭
  • বগুড়া ৭,২৮৮
  • কুমিল্লা ৭,২৩৯
  • ফরিদপুর ৬,৯৩৫
  • নারায়ণগঞ্জ ৬,৬৩২
  • সিলেট ৬,৫৩৬
  • খুলনা ৬,১৮৩
  • গাজীপুর ৫,৩০৬
  • নোয়াখালী ৪,৮৬৫
  • কক্সবাজার ৪,৪৫৪
  • যশোর ৩,৭১১
  • ময়মনসিংহ ৩,৫৮৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৩৯৭
  • বরিশাল ৩,৩৭৩
  • দিনাজপুর ৩,২৪০
  • কুষ্টিয়া ৩,১২২
  • টাঙ্গাইল ২,৯৫৫
  • রাজবাড়ী ২,৯৪৫
  • কিশোরগঞ্জ ২,৬৮২
  • রংপুর ২,৬৮০
  • গোপালগঞ্জ ২,৫১৭
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৪১১
  • সুনামগঞ্জ ২,২৭৮
  • নরসিংদী ২,২৪৩
  • চাঁদপুর ২,২২৩
  • লক্ষ্মীপুর ২,০৮৫
  • সিরাজগঞ্জ ২,০৮৩
  • ঝিনাইদহ ১,৮৩৮
  • ফেনী ১,৭৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৬৯৭
  • মৌলভীবাজার ১,৬৫৫
  • শরীয়তপুর ১,৬৪৬
  • জামালপুর ১,৪৫৯
  • মাদারীপুর ১,৪২৮
  • মানিকগঞ্জ ১,৩৮৬
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৩৭৭
  • পটুয়াখালী ১,৩৭৩
  • নড়াইল ১,২৮৪
  • নওগাঁ ১,২৫১
  • গাইবান্ধা ১,১০৮
  • সাতক্ষীরা ১,০৮৯
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • পাবনা ১,০৬৬
  • পিরোজপুর ১,০৪৭
  • জয়পুরহাট ১,০৪২
  • ঠাকুরগাঁও ১,০৩২
  • নীলফামারী ৯৯৩
  • বাগেরহাট ৯৬৯
  • নাটোর ৯৪৮
  • বরগুনা ৮৯২
  • মাগুরা ৮৭৯
  • রাঙ্গামাটি ৮৭৯
  • কুড়িগ্রাম ৮৬৪
  • লালমনিরহাট ৮১৫
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৪৭
  • বান্দরবান ৭৪৬
  • নেত্রকোণা ৭০৮
  • ভোলা ৭০৬
  • ঝালকাঠি ৬৮৩
  • খাগড়াছড়ি ৬৬৩
  • মেহেরপুর ৫৮৯
  • পঞ্চগড় ৫৫৬
  • শেরপুর ৪৬১
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

হাতে দই পাতে দই

পোস্টকারীর নাম
  • বাংলাদেশ সময় বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৮
  • ২১৪৯ বার ভিউ করা হয়েছে

দই টকদই, মিষ্টিদই, টক-টক মিষ্টি-মিষ্টি দই। বাঙালির ভোজনের শেষপাতে দই হবেÑ এটাই বহুকালের রীতি। আধুনিক শহুরে সংস্কৃতিতেও নাগরিকসমাজের আহারে দই বেশ ভালোভাবেই আসন পিঁড়ি পেতে বসে আছে। দই যে কেবল পেট ঠিক রাখে তা নয়Ñ দই চুল ও ত্বক উজ্জ্বল এবং কোমল রাখে। এবারের অঁভোগ আয়োজনে থাকছে দই। বিস্তারিত জানাচ্ছেন তৃষা আক্তার

 

ফলার বাংলাদেশ ও ভারতের একটি প্রাচীন এবং বহুলপ্রচলিত খাবার। ব্যুৎপত্তিগতভাবে ফল ও আহার অথবা ফলমিশ্রিত আহারই ফলাহার নামে অভিহিত, যার চলিতরূপ হলো ‘ফলার’। প্রচলিত অর্থে ভাত ছাড়া অন্যান্য নিরামিষ পদযুক্ত আহারই ফলার নামে পরিচিত। ফলারে নিরামিষ পদের মধ্যে সাধারণত লুচি, চিঁড়া দই, মিষ্টি ও ফল গণ্য হয়ে থাকে। প্রাচীনকালে ফলার বলতে খুব মিহি চিঁড়া ও মুড়কি, তার সাথে দই, চিনি, ক্ষীর এবং পাকা আম, কাঁঠাল, কলা প্রভৃতি ফল সহযোগে যে-খাবার উৎসব-অনুষ্ঠান উপলক্ষে পরিবেশিত হতো তাকেই বোঝাত। সনাতন ধর্মের অনুসারীরা মহাশিবরাত্রি, জন্মাষ্টমী, পূজা-পার্বণ প্রভৃতি উৎসব উপলক্ষে ফলার গ্রহণ করে থাকেন।

ফলার ঠিক কতদিনের প্রাচীন তা বলা কঠিন, তবে মধ্যযুগীয় বাংলায় এই খাবারটির বেশ প্রচলন ছিল। বৈষ্ণবদের মহোৎসবে প্রচলিত প্রসিদ্ধ ‘চিঁড়াভোগ’ এই ফলারেরই আরেকরূপ। ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধে পানিহাটিতে নিত্যানন্দপ্রভুর আগমন উপলক্ষে ভক্ত রঘুনাথদাস বিখ্যাত চিঁড়াদধি মহোৎসবের আয়োজন করেন। সে-উৎসবে প্রচুর পরিমাণ চিঁড়া, দই, দুধ, সন্দেশ ও কলা ভক্তদের মধ্যে পরিবেশন করা হয়েছিল।

‘কবিকঙ্কণ-চÐী’-তে নিদয়ার সাধে খাবারের তালিকায় ‘চিঁড়া চাঁপাকলা, দুধের সর’ এবং ভালো ‘মহিষা-দই’, খই ও চিনি মেশানো ফলারের উল্লেখ পাওয়া যায়। সে-কালে দুপুরের খাবারের আগে বাড়ির মহিলারা স্নান করে সকালে ‘খÐ, কলা, চিঁড়া ও দই’ খেতেন।

ধান ভানতে শিবের গীত গাওয়ার মতো দই নিয়ে বলতে গিয়ে ফলারের অবতারণা এ-জন্য যে, দই অতিপ্রাচীন একটি খাবার হিসেবে ভারতবর্ষে সেই প্রাচীনকাল থেকেই জনপ্রিয়। এবারে দইয়ের কথা।

দই হলো এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য, যা দুধের ব্যাক্টেরিয়ার গাঁজন থেকে তৈরি করা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক অ্যাসিড তৈরি করা হয়, যা দুধের প্রোটিনের ওপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও এর  বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গন্ধ প্রদান করে।

মানুষ ৪৫০০ বছর ধরে দই তৈরি করছে এবং তা খেয়ে আসছে। সারাপৃথিবীতেই দই পরিচিত। পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে এর সুনাম আছে। দই প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্ল্যাভিন, ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ একটি সুস্বাদু খাবার। কিছুদিন আগেও বাঙালির বিয়ে মানে শেষপাতে দই থাকবেই। এখনো অনেক বিয়েতেই দই খাওয়ানো হয়। দই সাধারণত দু-ধরনের হয়ে থাকে। চিনিপাতা বা মিষ্টি দই এবং টকদই। মিষ্টি দইয়ের চেয়ে টকদইয়ের উপকারিতা অনেক বেশি।

 

দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে বগুড়ার দই

বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় দই উৎপন্ন এবং বিক্রি হয়। তবে, বগুড়া ও গৌরনদী অনেককাল থেকে দইয়ের জন্য বিখ্যাত। বগুড়ার দইয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনেক প্রাচীন। বগুড়ার শেরপুরে প্রথম দই তৈরি হয় প্রায় আড়াইশ’বছর আগে। তৎকালীন বগুড়ার শেরপুরের ঘোষ পরিবারের ঘেটু ঘোষ প্রথম দই বানানো শুরু করেন। টকদই তৈরি থেকে বংশ পরম্পরায় তা চিনিপাতা [মিষ্টি] দইয়ে রূপান্তরিত হয়। বগুড়ার দই গুণে মানে স্বাদে অতুলনীয়। বগুড়ার দইয়ের নাম শুনলে জিভে জল আসে ! বগুড়ার দইয়ের সুনাম দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী দই একবার খেয়ে আবার খাওয়ার আগ্রহ দেখায়নি এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। স্বাদ আর মানের কারণে এই দইয়ের সৃষ্টি হয়েছে বিশাল বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও। বগুড়ার আনাচে কানাচে নানা রকম বাহারি নামে বগুড়ার দই বিক্রি হচ্ছে। দই যেন মিশে আছে বগুড়ার প্রাণে প্রাণে। গত শতকের নয়ের দশকের শুরুর দিকে বাণিজ্যিক ধারায় বগুড়ার দইয়ের আভিজাত্য ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। তারপর দেশের গÐি ছাড়িয়ে বগুড়ার দইয়ের ব্যবসা ও সুনাম ছড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। বগুড়া জেলার প্রায় ১০০ দোকানে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার দই বিক্রি হয়। এই দই বিক্রির বার্ষিক হিসাব একশ’ কোটি টাকারও বেশি। রাজধানী ঢাকাসহ স্থানীয় বাজারে বছরে প্রায় তিনশ’ কোটি টাকার দই বিক্রি হয়। শুধু তাই নয়, বগুড়ার দইয়ের বাজার সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। আমেরিকা, ফিলিপিন্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপ, সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিকভিত্তিতে রপ্তানি হচ্ছে বগুড়ার দই। আয় হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা।

 

যাঁরা ঘরে বগুড়ার দই বানাতে চান তাঁদের জন্য দেওয়া হলো দই বানানোর রেসেপি। বাড়িতে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

উপকরণ

এক কেজি দইয়ের জন্য

গরুর দুধ ২ কেজি, চিনি ২৫০ গ্রাম, সামান্য পরিমাণ পুরোনো দই ও মাটির একটি হাঁড়ি বা সরা।

 

প্রণালি

একটি পরিষ্কার কড়াই বা পাতিলে দুধ ছেঁকে ঢেলে দিন। কড়াই চুলায় বসান। এবার জ্বাল দিতে থাকুন। চুলায় আগুন যত ধীরে জ্বলবে দই তত সুস্বাদু হবে। এবার সিদ্ধান্ত নিন, সাদা নাকি ঘিয়ে রঙের দই তৈরি করবেন। সাদা রঙের দই তৈরি করতে চাইলে ঘণ্টাদুয়েক পর কড়াই নামিয়ে ফেলুন। আর ঘিয়ে রঙের দইয়ের জন্য তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা চুলার ওপরে কড়াই রাখুন। দুধ ফুটে দুই কেজি থেকে এক কেজিতে এলে তাতে চিনি ঢেলে দিন। চিনি না-গলা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। দুধ উথলে উঠলে কড়াই নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা না-হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। মাটির হাঁড়ি বা সরা একটু গরম করুন। এবার সরায় ঠান্ডা দুধ ঢেলে নিন। পুরোনো একচিমটি দই দুধের সঙ্গে ভালোভাবে মেশান। এবার ঝাঁপি দিয়ে সরা ঢেকে দিন। ছাইচাপা আগুনে সরা বসিয়ে চারঘণ্টা রেখে দিন। জমাট না-বাঁধলে আরও দেড়-দুই ঘণ্টা সময় নিন। জমাট বাঁধার পর ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

 

রূপচর্চায় টকদই

ইদানীংকালে দই দিয়ে রূপচর্চার প্রচলন হয়েছে। চুল এবং ত্বকের যতেœ টকদই ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

চুলের যতেœ টকদই

চুলের যতেœ টকদই অনেক উপকারি। এটি প্রাকৃতিকভাবে পুষ্টি দেয় এবং চুল সুন্দর করে। টকদইয়ে আছে প্রচুর প্রোটিন, যা চুলের জন্য অনেক উপকারি। টকদইয়ে আছে জিংক ও ল্যাকটিক অ্যাসিড যা চুলের যতেœ কাজ করে। টকদই চুল কোমল রাখে ও পরিষ্কার করে। টকদইয়ের ব্যবহারে চুলে খুসকি হয় না। এটি চুলের শুষ্ক ও রুক্ষভাব দূর করে চুল রাখে নরম ও ঝলমলে। দেখে নিন দইয়ের কিছু হেয়ার প্যাক।

 

া টকদই : গোসলের আগে শুধু টকদই ভালো করে ফেটিয়ে চুলে লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল ময়েশ্চারাইজ হবে।

া দই ও ডিম : ডিমের সাদা অংশ ১ টি, ৬ টেবিল-চামচ টকদই। ডিম ভেঙে সাদা অংশ আলাদা করে নিন। ভালো করে বিট করুন যেন সাদা ফেনা হয়ে যায়। বিট করা হলে এতে যোগ করুন টকদই। চুলে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল সিল্কি হবে, ঝরঝরে ও উজ্জ্বল দেখাবে।

া টকদই ও লেবু : লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, টকদই ১ কাপ। ২ টেবিল-চামচ লেবুর রস ও ১ কাপ টকদই ভালো করে মিশিয়ে নিন। চুলে লাগিয়ে ৩০মিনিট রেখে দিন। শ্যাম্পু শেষে গোসল সেরে ফেলুন। এটি চুল উজ্জ্বল করবে।

া টকদই ও মেথি : ১ কাপ টকদই ৩ টেবিল-চামচ মেথিগুঁড়ো। দই ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এতে মেথিগুঁড়ো যোগ করুন। ভালো করে মিশিয়ে চুলে লাগান। ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। মেথিগুঁড়ো খুব ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

মেথিগুঁড়ো চুলে থেকে গেলে খুসকি হবে। ভালো করে ধোয়ার পরেও কিছু মেথিগুঁড়ো চুলে থেকে যায়। চুল শুকিয়ে গেলে চিকন দাঁতের চিরুনি দিয়ে সেগুলো বের করে ফেলুন। এতে চুল ঝরঝরে ও উজ্জ্বল দেখাবে।

া টকদই ও অ্যালোভেরা : ২ টেবিল-চামচ টকদই, তিন টেবিল-চামচ নারকেল তেল এবং ২ টেবিল-চামচ অ্যালোভেরা জেল ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলে ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

প্রাণহীন, নির্জীব, রুক্ষ চুল নরম, কোমল এবং ময়েশ্চারাইজ করে তুলবে এই প্যাকটি। এই প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করলে চুলের রুক্ষতা দ্রুত দূর হবে।

 

দইমেলা

শুনলে হয়ত কিছুটা অবাকই হতে হয়। দইয়েরও মেলা বসে। বর্তমান সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলাÑ চলনবিলের অংশ। একসময় ওই অঞ্চল ছিল ডাকাতদের অভয়ারণ্য। ডাকাতদের সেই অভয়ারণ্যে এখন বছরে একবার বসে দইমেলা। দই আর দই। দূর-দূরান্ত থেকে দই প্রস্তুতকারীরা মেলায় দই নিয়ে আসেন।

জানা গেছে, প্রতিবছর মাঘমাসের পঞ্চমী তিথির দিন বসে এই দইমেলা। তাড়াশ উপজেলার জমিদার বাড়ির প্রাঙ্গণের মাঠটি স্থানীয় জনগণের কাছে রসিক রায়ের মাঠ বলেই পরিচিত। সেই রসিক রায়ের মাঠেই বসে দইমেলা। হ

 

সুস্থ রাখে টকদই

ষ      টকদই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ঠান্ডা লাগা, সর্দি ও জ্বর না-হওয়ার জন্য এটি ভালো কাজ করে।

ষ      টকদইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়িয়ে হজমশক্তি বাড়ায় বা ঠিক রাখে।

ষ      টকদইয়ের ব্যাকটেরিয়া হজমে সহায়ক, তাই এটি পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কমাতে বা হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

ষ      কম ফ্যাটযুক্ত টকদই রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল কমায়।

ষ      টকদইয়ের আমিষ দুধের চেয়ে সহজে হজম হয়, এটি দুধের চেয়ে অনেক কম সময়ে হজম হয়। তাই যাদের দুধের হজমে সমস্যা তারা দুধের পরিবর্তে টকদই খেতে পারেন।

ষ      টকদই রক্ত শোধন করে। উচ্চরক্তচাপের রোগীরা নিয়মিত টকদই খেয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।

ষ      টকদইয়ে আমিষ থাকে, যেহেতু আমিষ হজম হতে সময় লাগে, তাই পেট ভরা বোধ হয় এবং শক্তি পাওয়া যায়। অতিরিক্ত খাবারও খেতে ইচ্ছে করে না।

ষ      টকদই হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে।

ষ      টকদই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই গ্রীষ্মকালে টকদই খাওয়া ভালো।

 

ত্বকের যতেœ টকদই

স এককাপ টকদই ও দুটি পাকা কলা চটকে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে। গোসলের আগে পুরো শরীরের ত্বকে লাগিয়ে নিন। এরপর ২০ মিনিট অপেক্ষা করে গোসল করুন। যাদের ত্বক অমসৃণ ও রুক্ষ তাদের ত্বকে মসৃণতা ফিরিয়ে আনবে এই প্যাকটি

স তিন টেবিল-চামচ টকদই, দুই টেবিল-চামচ বেসন ও ২ টেবিল-চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখসহ পুরো শরীরের ত্বকে ব্যবহার করুন। আধাঘণ্টা পর ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রং হবে আরো উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত

স ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম নিয়ে বিব্রত থাকেন অনেকেই। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীনভাবে ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে সাহায্য করতে পারে টকদই। ১ টেবিল-চামচ টকদই, ২ টেবিল-চামচ ময়দা, ১ চা-চামচ লেবুর রস ও ১ চিমটি হলুদ মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। তারপর ত্বকে পুরু করে প্রলেপ দিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর পানি দিয়ে ভালো করে ঘষে ঘষে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ৩-৪ বার এই উপকরণ ব্যবহার করতে হবে। এই মিশ্রণটি লোমের রং পরিবর্তন করে এবং লোম ওঠার পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

পোস্টটি শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো আর্টিকেল
বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে, ইকবাল আহমেদ কর্তৃক প্রকাশিত
Theme Customized BY Justin Shirajul