1. amin@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন
  2. tajharul@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন

৪ আগস্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭

মোট আক্রান্ত

২৪২,০৪৯

সুস্থ

১৩৭,৯০৭

মৃত্যু

৩,১৮৪

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৫২,২২৪
  • চট্টগ্রাম ১৪,৪৮৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৫,৮৮০
  • কুমিল্লা ৫,৫৭৬
  • বগুড়া ৪,৮৭৬
  • ফরিদপুর ৪,৮৬২
  • খুলনা ৪,৩৬৭
  • গাজীপুর ৪,২৩৬
  • সিলেট ৩,৭৮৭
  • কক্সবাজার ৩,৩৯১
  • নোয়াখালী ৩,১৮৬
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,০২১
  • ময়মনসিংহ ২,৭২৩
  • কিশোরগঞ্জ ১,৯৯৫
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১,৯৪৭
  • নরসিংদী ১,৯২৬
  • যশোর ১,৮৯৯
  • চাঁদপুর ১,৮৫৩
  • টাঙ্গাইল ১,৬৯০
  • বরিশাল ১,৬৮৬
  • কুষ্টিয়া ১,৫৯৪
  • রংপুর ১,৫৩৯
  • লক্ষ্মীপুর ১,৪৫৩
  • সিরাজগঞ্জ ১,৪৪০
  • দিনাজপুর ১,৩০৮
  • ফেনী ১,৩০৮
  • সুনামগঞ্জ ১,২৭৮
  • রাজবাড়ী ১,২৭৭
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • হবিগঞ্জ ১,০৫৫
  • পটুয়াখালী ১,০২৫
  • ঝিনাইদহ ৯৮৩
  • নওগাঁ ৯৩১
  • জামালপুর ৯১৬
  • পাবনা ৮৪৩
  • মানিকগঞ্জ ৮৪০
  • মৌলভীবাজার ৮৩৯
  • মাদারীপুর ৮৩২
  • গোপালগঞ্জ ৭৯৯
  • নড়াইল ৭৬২
  • সাতক্ষীরা ৭৪৮
  • জয়পুরহাট ৭১৪
  • শরীয়তপুর ৬৬৮
  • রাঙ্গামাটি ৬৫৭
  • চুয়াডাঙ্গা ৬৪৩
  • নেত্রকোণা ৬৩৮
  • বাগেরহাট ৬০৮
  • নীলফামারী ৬০০
  • গাইবান্ধা ৫৭৮
  • বান্দরবান ৫৫৪
  • খাগড়াছড়ি ৫৩২
  • ভোলা ৫২৮
  • বরগুনা ৫১১
  • নাটোর ৪৯২
  • মাগুরা ৪৬০
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৪৪৮
  • কুড়িগ্রাম ৩৭৭
  • শেরপুর ৩১৫
  • ঠাকুরগাঁও ৩০১
  • লালমনিরহাট ২৯৪
  • ঝালকাঠি ২৪২
  • পঞ্চগড় ২৩৩
  • পিরোজপুর ২১৮
  • মেহেরপুর ১৮৭
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

আবৃত্তিশিল্পী হয়ে ওঠা আনেক সময়ের ব্যাপার -এনামুল হক বাবু

পোস্টকারীর নাম
  • বাংলাদেশ সময় সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ১০৩ বার ভিউ করা হয়েছে

এনামুল হক বাবু প্রায় ৩৫ বছর ধরে আবৃত্তিচর্চার সঙ্গে যুক্ত আছেন। কথা আবৃত্তিচর্চা কেন্দ্র  দিয়ে তার আবৃত্তিচর্চার শুরু এবং এখনো এই সংগঠনের হয়েই কাজ করছেন। এর বাইরে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আবত্তির উপরে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন, যুক্ত আছেন লেখালেখির সঙ্গেও। তার সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন নিথর মাহবুব…

 

প্রথমে নিজের এলাকায় থিয়েটার চর্চা করতাম। তেজগাঁও শিল্প এলাকায় থাকতাম তখন। বাবা সরকারি মন্ত্রণালয়ে চাকরি করতেন সেই সুবাদে স্টাফ কোয়ার্টারে বেড়ে ওঠা। ঢাকাতেই আমার জন্ম এবং ঢাকাতেই বেড়ে ওঠা। তেজগাঁও স্কুল থেকে এসএসসি, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় পড়েছি। সম্মান পরীক্ষা দেওয়ার পর ৮৪-এর ডিসেম্বরে শিল্পকলা একাডেমির একটা বিজ্ঞপ্তিতে দেখি ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুদ্ধ উচ্চারণের কোর্স হবে। তখন এই কর্মশালায় যোগ দিই। এই কর্মশালা শেষ করার পর ভাস্বরদা আমাদের মধ্য থেকে পাঁচজনকে নির্বাচন করলেন আবৃত্তির একটা দল করার জন্য। সেই দলে তখন আমিসহ ছিলেন ইংরেজি সংবাদ পাঠিকা মুনমুন আহম্মেদ, কমল আক্তার নূর, শফিকুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম টোকন। এখন তারা সবাই দেশের বাইরে। আমি একমাত্র দেশে আছি। দলের নাম দেওয়া হয় কথা আবৃত্তিচর্চা কেন্দ্র। সেই ’৮৫-র জুলাই থেকে দাদা আর আমি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে দলে এখনো কাজ করছি। আবৃত্তি অঙ্গনে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে বলছিলেন এনামুল হক বাবু।

পেশাগত জীবনে তিনি প্রথমে ঢাকা সিটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। তারপর এডুকেশন ক্যাডার হিসেবে জয়েন করেন এবং পরে ঢাকা কলেজে ’৯২ থেকে ২০০১ পর্যন্ত শিক্ষকতায় যুক্ত ছিলেন। নিজের আবৃত্তি সংগঠন কথায় নিজের কাজ নিয়ে তিনি বলেন, ‘দলের হয়ে আমি অনেক প্রযোজনা তৈরি করেছি, স্ক্রিপ্ট তৈরি করেছি, ভাস্বরদা একসময় নির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্বও আমাকে দেন। দলের হয়ে অনেক পারফর্মেন্স করেছি। যেহেতু আবৃত্তি আমাদের সময় পেশাদার শিল্পমাধ্যম হিসেবে দাঁড়ায়নি সেই জন্য আমরা অন্য মাধ্যমের পেশার সঙ্গে যুক্ত থেকে আবৃত্তিচর্চা করেছি। অন্য পেশায় সময় দিয়ে আবৃত্তিচর্চা করতাম বলে আমরা সবসময় চর্চাটা করতে পারতাম না। বিশেষ দিনে, বিশেষ উপলক্ষ, ছুটির দিনগুলোতেই আমদের আবৃত্তির কাজ থাকত। যে কারণেই পাবলিক পরিচিতিটা আমাদের তেমন হয়ে ওঠেনি। যারা বেশি সময় দিয়েছে তাদের পরিচিতিটা গড়ে উঠেছে। দলে আমার নির্দেশনায় অনেক কাজই হয়েছে সবগুলোর নাম মনে নেই। ভালোবাসার পঙ্ক্তিমালা, ফিরে এস নিলাঞ্জন, জীবনানন্দ দাসের নিদাঘ দুপুরের পঙ্ক্তিমালা ইত্যাদি। প্রায় ২০টির মতো নির্দেশনার কাজ করেছি। কাছাকাছি সময়ে ড. এনামুল হক স্যারের একটি স্ক্রিপ্ট নিয়ে আমরা কাজ করেছি। যার নাম সুবিশাল অস্থিরতা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, এই অস্থির সময়টাকে নিয়ে স্ক্রিপ্টটা করা হয়েছে। আর ইদানীং কবি মুস্তফা তোফায়েলের ‘প্রমিথিউজ একজন’ নিয়ে কাজ করছি। এখান থেকে সম্পাদন করে অংশবিশেষ আমরা করছি। এই লেখাটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে। একে কাব্যগ্রন্থ বা কাব্যনাটক বলা যেতে পারে। শ্রæতি অভিনয় করছি আমরা।

আবৃত্তির পেশাদারিত্ব নিয়ে আলোচনায় এলে এই সিনিয়র আবৃত্তিশিল্পী বলেন, আবৃত্তির পেশাদারিত্বের বিষয়টা নিয়ে আমরা সোচ্চার ছিলাম ’৯০-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে। ওইরকম একটা সময়েই ঢাকার আবৃত্তি সংগঠনগুলো বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ নামের ফোরামটি তৈরি করেছিল। এই পরিষদের সেকেন্ড ট্রামের কার্যনির্বাহী কমিটিতে আমি সদস্য ছিলাম। তখন চিন্তা ছিল যে, আবৃত্তি করতে যারা আসবে তাদের অন্তত যাতায়াতের ভাড়াটা আমরা দেব। এর মাধ্যমেই আমরা আবৃত্তিচর্চার পেশাগত দিকটা শুরু করেছিলাম। কথা থেকে আমরা দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যখন করেছিলাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে আবৃত্তিশিল্পীদের এনেছিলাম। তখন তাদের যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়ার খরচসহ কিছু সম্মানীও দিয়েছিলাম। পাশাপশি দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে শিল্পীদের এনেছিলাম তাদেরও একইভাবে সম্মানী দিয়েছিলাম। এই চর্চাটা ইদানীং কোনো কোনো দল করছে। যাদের সমর্থ তৈরি হয়েছে বা যাদের টাকার যোগার হচ্ছে তারা এখন সম্মানী শিল্পীদের দিচ্ছে। তবে আমরা যদি ভালো কিছু করতে পারি অর্থাৎ আবৃত্তিচর্চাটা দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে পারি বা দর্শকদের তুষ্ট করতে পারি তাহলে দর্শক অবশ্যই টিকেট কেটে দেখতে আসবে। আবৃত্তি আমরা কোনোরকম এলোমেলোভাবে করার জন্য করলে সেগুলোতে দর্শক টাকা খরচ করে দেখবে না। আবৃত্তিকারের সংখ্যা অনেক বেড়েছে আমাদের, কিন্তু মানসম্মত আবৃত্তিশিল্পীর অভাব আছে। আবৃত্তিশিল্পী হয়ে ওঠা আনেক সময়ের ব্যাপার। অনেকে মনে করছেন তিন মাস ছয় মাস এক বছরের জন্য শিখে মঞ্চে উঠে আবৃত্তি করার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছে। চর্চার গভীরে না গেলে দর্শক ধরে রাখা যায় না। দর্শক ধরে রাখার ক্ষমতা তৈরি করতে পারলে পেশাদার শিল্পী হওয়া যায়।

আবৃত্তির প্রতি বর্তমান প্রজন্মের আগ্রহ নিয়ে এই শিল্পী বলেন, আমাদের এখানে ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া বেড়েছে, অনেক এফএম রেডিও হয়েছে, এর ফলে কাজের সুযোগ বেড়েছে, তাই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আবৃত্তি কোর্স করার প্রতি আগ্রহ অনেক বেড়েছে। কিন্তু তারা স্থায়ীভাবে আবৃত্তি সংগঠনগুলোতে যুক্ত হচ্ছে না, দীর্ঘমেয়াদে শিখছে না। তারা আসে শুধু একটা কোর্স করতে। এখন তাদের টার্গেট মিডিয়া। আর এখন যারা দলে থাকে তারাও দলে সময় দিতে চায় না, দেখা গেছে আমরা সিনিয়ররা দলে এসে বসে থাকি নতুনরা সময়মতো আসছে না। তাই মানের প্রশ্নটা রয়েই গেছে। যারা টিভি, এফএম রেডিওগুলোর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত তারা আমাদের ডাকেন না। তারা কীভাবে সিলেকশন করেন বা নিয়োগ দেন তা আমি জানি না। আমার মনে হয়, সেখানে আরো সুনির্বাচিত হওয়া উচিত। যারা উপস্থাপনায় বা সংবাদ পাঠে আসে তাদর যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়ার দরকার আছে। যে প্রমিত উচ্চারণের জন্য আমরা কাজ করছি, যে মানের জন্য ভাষার জন্য আমরা কাজ করছি, যে ভাষার জন্য আমাদের ছেলেরা প্রাণ দিয়েছিল ভাষার সেই মানটা কি আমরা রক্ষা করতে পারছি ? আমাদের স্কুল কলেজ পর্যায় থেকেই ভাষার ওপর উচ্চারণের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দরকার। এটা যদি সরকার চিন্তা করে তাহলে আবৃত্তি অঙ্গনে যারা কাজ করে তাদের অনেক কাজের সুযোগ তৈরি হবে। পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গিটা এখান থেকে দাঁড়িয়ে যাবে। আগে স্কুল কলেজ পর্যায়ে এডুকেশন সপ্তাহ ছিল। এই প্রচলনটা আবার চালু করা দরকার। একটি বিষয় হলো সমাজ, যে বয়সে ছেলেমেয়েদের বিপথে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাদের এসব চর্চার মাধ্যমে সেসব থেকে বিরত রাখা যায়, তাদের চৌকস করে গড়ে তোলা যায়। এই চিন্তা থেকেই আমরা দলটা তৈরি করেছিলাম। এখনো আমরা দলের ছেলেমেয়ে নতুন যারা আসে তাদের বলি তোমরা চর্চাটা ধরে রাখ, চর্চার ফলে তোমরা যখন কর্মক্ষেত্রে যাবে বা ইন্টারভিউ দিতে যাবে এর ফল পাবে। আবার যখন চাকরির ক্ষেত্রে যাবে তাদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে, তোমার তাড়াতাড়ি প্রমোশন হবে। শিক্ষকতার ক্ষেত্রেও আবৃত্তির চর্চাটা জরুরি, কিন্তু আমাদের দেশে এটা হয় না। প্রত্যেকের জন্যই শুদ্ধ উচ্চারণের কোর্স করা জরুরি। সব মিলিয়ে আমরা এখনো দরিদ্র। অর্থনীতির একটা ভাষা আছে আমরা সেহেতু দরিদ্র। এর অর্থটা হচ্ছে এইÑ আমরা শিক্ষাগতভাবে দরিদ্র, সংস্কৃতিগতভাবে দেওলিয়া, ধর্মীয় দিক থেকে আমাদের ধর্মান্ধতা আছে, সম্পদের দিক থেকেও আমাদের গরিবী হাল আছে। যদিও দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে, প্রবৃদ্ধির হার বাড়ছে, কিন্তু আর্থিক বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার কারণে এটার সুফল আমরা ভোগ করতে পারছি না। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলছি কিন্তু আমাদের রাস্তায় এখনো ট্রাফিক হাতের সিগনালে গাড়ি থামায়।

আপনার জীবনে আবৃত্তির প্রভাব কতটুকু ? এমন প্রশ্নের জবাবে এনামুল হক বাবু বলেন, আমার জীবনে আবৃত্তির প্রভাবটা অনেক বেশি। আমি শিক্ষকতা দিয়ে পেশা শুরু করেছি। আমি ভাস্বরদা’র ক্লাশ করতে যখন আসতাম ; কথা বলতে গেলে মুখ লাল হয়ে যেত, এখন আমি অনেক সময় নিয়ে কথা বলতে পারি, আমি যেটা বলতে চাই সেটা স্পষ্ট করে বলতে পারি। আবৃত্তি আমাকে পেশাগত দিক থেকে তেমন কিছু দিতে পারেনি কিন্তু অনেক সম্মান এনে দিয়েছে। আমাকে সমৃদ্ধ করেছে।

এনামুল হক বাবুর সহধর্মিনী সাহিত্যের লোক এবং একটা কলেজে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। যে কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনের বোঝাপরাটা খুব ভালো বলে জানালেন তিনি। এই সংগঠক বলেন, ঘরের সহযোগিতা আছে বলেই এত বছর আবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরেছি। আমার স্ত্রী খুব সহযোগিতাপরায়ণ। সে নিজেও তার কলেজের অনুষ্ঠানের গ্রন্থনা উপস্থাপনা করে। সেগুলো আমার সঙ্গে পরামর্শ করেই তৈরি করে সে। আমার দলে যখন প্রোডাকশন তৈরি করি তখন দেখা যায় সে আমার প্রোডাকশনের কর্মীদের জন্য নাস্তা নিয়ে হাজির হয়। আমার দুই ছেলেমেয়ে। তাদেরও শিল্প সংস্কৃতির দিকে ঝোঁক তৈরি হয়েছে। মেয়েটা গানের চর্চা করে। মেয়ের আবৃত্তির প্রতিও ঝোঁক আছে। তবে সন্তানদের মধ্যে কে কোন বিষয়ে চর্চা করবে এটা তাদের উপরই ছেড়ে দিয়েছেন। আমরা সন্তানদের উপর কিছু চাপিয়ে দিতে চাই না। পেশাগতভাবে আমার সন্তানকে আবৃত্তিচর্চা করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আবৃত্তি একটা মৌলিক বিষয়। সব মাধ্যমের জন্যই আবৃত্তি দরকার হয়। জীবনের জন্য, সুন্দর মানুষ হওয়ার জন্য আবৃত্তি প্রয়োজন। হ

পোস্টটি শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো আর্টিকেল
বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে, ইকবাল আহমেদ কর্তৃক প্রকাশিত
Theme Customized BY LatestNews