1. amin@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন
  2. tajharul@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন

৮ আগস্ট ২০২০, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

মোট আক্রান্ত

২৫২,৪৪৯

সুস্থ

১৪৫,৫৮৬

মৃত্যু

৩,৩৩৩

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৫২,২৯৮
  • চট্টগ্রাম ১৪,৭৪৬
  • নারায়ণগঞ্জ ৫,৯৮২
  • কুমিল্লা ৫,৬৭৯
  • বগুড়া ৫,০৯৪
  • ফরিদপুর ৪,৮১১
  • খুলনা ৪,৫৫৩
  • সিলেট ৪,৪৭৫
  • গাজীপুর ৪,৩২৭
  • কক্সবাজার ৩,৪৭৩
  • নোয়াখালী ৩,৩৪৬
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,১২৬
  • ময়মনসিংহ ২,৮২৮
  • বরিশাল ২,৪৭৯
  • কিশোরগঞ্জ ২,০৯১
  • যশোর ২,০২২
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১,৯৫১
  • দিনাজপুর ১,৯২৯
  • চাঁদপুর ১,৮৭৫
  • কুষ্টিয়া ১,৮৪১
  • গোপালগঞ্জ ১,৭৯৩
  • টাঙ্গাইল ১,৭৯৩
  • রংপুর ১,৭৯২
  • নরসিংদী ১,৭৫৬
  • সুনামগঞ্জ ১,৫৫০
  • সিরাজগঞ্জ ১,৫৩৯
  • লক্ষ্মীপুর ১,৪৭২
  • ফেনী ১,৩৬০
  • রাজবাড়ী ১,৩৫১
  • হবিগঞ্জ ১,২২৬
  • মাদারীপুর ১,২২৪
  • শরীয়তপুর ১,১৩৯
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • পটুয়াখালী ১,০৬৬
  • ঝিনাইদহ ১,০৫২
  • মৌলভীবাজার ১,০৪৬
  • জামালপুর ৯৮২
  • নওগাঁ ৯৬০
  • মানিকগঞ্জ ৯০৬
  • পাবনা ৮৫২
  • নড়াইল ৮৫১
  • জয়পুরহাট ৭৮২
  • সাতক্ষীরা ৭৮০
  • চুয়াডাঙ্গা ৭৫৯
  • পিরোজপুর ৭৩৯
  • গাইবান্ধা ৬৯৮
  • নীলফামারী ৬৮০
  • বরগুনা ৬৫৭
  • রাঙ্গামাটি ৬৫৭
  • নেত্রকোণা ৬৪৭
  • বাগেরহাট ৬৩৭
  • বান্দরবান ৫৮২
  • ভোলা ৫৫৭
  • কুড়িগ্রাম ৫৫৩
  • নাটোর ৫৪৪
  • খাগড়াছড়ি ৫৩২
  • মাগুরা ৫২৫
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫১৭
  • ঝালকাঠি ৪৯৩
  • ঠাকুরগাঁও ৪৩৭
  • লালমনিরহাট ৪৩৬
  • পঞ্চগড় ৩৬১
  • শেরপুর ৩২৬
  • মেহেরপুর ২১৯
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায় -ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন

পোস্টকারীর নাম
  • বাংলাদেশ সময় রবিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৮
  • ৪৩৩৪ বার ভিউ করা হয়েছে

স্ক্যাবিস বা চুলকানি রোগটির সঙ্গে আমরা সকলেই কম বেশি পরিচিত। একে বাংলায় পাঁচড়া বলা হয়। খুব সহজেই স্কিনের এই রোগটি সারকোপটিস স্ক্যাবি নামক মাইট দ্বারা সংক্রমিত হয়। এই ক্ষুদ্র পরজীবী জীবাণুু ত্বকের অগভীরে ডিম পাড়ে এবং বারোজ তৈরি করে। জীবাণু দ্বারা আক্রমণের ২ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন চাকা, তীব্র চুলকানি যা বিকেলের দিকে শুরু হয় এবং রাতে আরো তীব্র আকার ধারণ করে এবং যা অসহনীয় পর্যায়ে চলে যায়। এই ছোট চাকাগুলো শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থান যেমনÑ কব্জি, নাভী, যৌনাঙ্গ, আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে দেখা দিতে পারে।

স্ক্যাবিস শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের হতে পারে। তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশে এর প্রকোপ বেশি। কারণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে এই রোগগুলো বেশি হয়ে থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, বালিশ ও বিছানার চাদর দ্বারা এই রোগটি সংক্রমিত হয় বলে ঘনবসিতিপূর্ণ আবাসিক মেছগুলোতে এই রোগটির প্রাদুর্ভাব বেশি।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্ক্যাবিস প্রতিরোধে পারমেথ্রিন ও বেনজাইল বেনজোয়েটের ভূমিকা অতুলনীয়। এগুলো লোশন ও ক্রিম হিসেবে পাওয়া যায়। যা গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে ৮-১০ ঘণ্টা রাখতে হয়। তাই চিকিৎসকগণ রাতে মুমোনোর আগে এই ওষুধগুলো ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

সালফার মলম, লিনডেন লোশন ব্যবহার করা হয়। আর বিরক্তিকর উপসর্গের হাত থেকে রক্ষার জন্য অ্যান্টি-হিস্টাসিন জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে ইনফ্যাকটেড স্ক্যাবিসের ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক সেবন করার প্রয়োজন হতে পারে এবং পরে স্ক্যাবিসের চিকিৎসা নিতে হবে।

সম্পূর্ণরূপে স্ক্যাবিস নিরাময় করতে হলে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক, বিছানার চাদর, সবকিছু গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে এবং ভালোভাবে রোদে শুকাতে হবে। প্রতি বছর বিশ্বের জনসংখ্যার ১-১০% ভাগ লোক স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হয়। তাই বলে স্ক্যাবিস কোনো হুমকি নয়। উপসর্গ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করে সহজেই স্ক্যাবিস থেকে মুক্ত থাকতে পারেন। হ

লেখক : কনমেটোলোজিস্ট এবং ডারমাটোলোজিস্ট

শিওরসেল মেডিকেল [বিডি] লি.

পোস্টটি শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো আর্টিকেল
বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে, ইকবাল আহমেদ কর্তৃক প্রকাশিত
Theme Customized BY LatestNews