1. amin@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন
  2. tajharul@bol-online.com : আনন্দভুবন : আনন্দভুবন

১০ আগস্ট ২০২০, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭

মোট আক্রান্ত

২৬০,৪৫৪

সুস্থ

১৫০,৪৩৪

মৃত্যু

৩,৪৩৮

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৭০,১৬০
  • চট্টগ্রাম ১৫,০৬৪
  • নারায়ণগঞ্জ ৬,০৩৩
  • কুমিল্লা ৫,৮২৩
  • ফরিদপুর ৫,২৩৮
  • বগুড়া ৫,২৩৬
  • খুলনা ৪,৬৮৫
  • সিলেট ৪,৫৮৩
  • গাজীপুর ৪,৩৫২
  • কক্সবাজার ৩,৫৫০
  • নোয়াখালী ৩,৪৯১
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,২১০
  • ময়মনসিংহ ২,৮৯২
  • বরিশাল ২,৫৮১
  • কিশোরগঞ্জ ২,১৬৭
  • দিনাজপুর ২,০৯৫
  • যশোর ২,০২২
  • কুষ্টিয়া ২,০০৫
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১,৯৯৬
  • চাঁদপুর ১,৯২০
  • রংপুর ১,৮৬১
  • টাঙ্গাইল ১,৮৩৭
  • গোপালগঞ্জ ১,৭৯৩
  • নরসিংদী ১,৭৭২
  • সুনামগঞ্জ ১,৫৯৬
  • রাজবাড়ী ১,৫৮৮
  • সিরাজগঞ্জ ১,৫৮৩
  • লক্ষ্মীপুর ১,৫২৭
  • ফেনী ১,৪০০
  • হবিগঞ্জ ১,২৪৯
  • মাদারীপুর ১,২২৪
  • শরীয়তপুর ১,১৩৯
  • ঝিনাইদহ ১,১২৩
  • পটুয়াখালী ১,০৮৭
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • মৌলভীবাজার ১,০৬৯
  • জামালপুর ১,০০৬
  • নওগাঁ ৯৯৯
  • নড়াইল ৯৯৪
  • মানিকগঞ্জ ৯১৯
  • পাবনা ৮৭১
  • জয়পুরহাট ৮১৬
  • চুয়াডাঙ্গা ৮০৮
  • সাতক্ষীরা ৮০৩
  • পিরোজপুর ৭৬৫
  • গাইবান্ধা ৭৩১
  • বাগেরহাট ৭১৮
  • নীলফামারী ৬৯৩
  • বরগুনা ৬৮৪
  • রাঙ্গামাটি ৬৭৭
  • নেত্রকোণা ৬৪৮
  • নাটোর ৬২৮
  • বান্দরবান ৫৯৫
  • কুড়িগ্রাম ৫৮৫
  • মাগুরা ৫৭৫
  • ভোলা ৫৭০
  • খাগড়াছড়ি ৫৫০
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৪৮
  • ঝালকাঠি ৫০৯
  • ঠাকুরগাঁও ৫০৪
  • লালমনিরহাট ৪৭৭
  • পঞ্চগড় ৩৬১
  • শেরপুর ৩৩০
  • মেহেরপুর ২৪৬
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

রঙ বাংলাদেশ

পোস্টকারীর নাম
  • বাংলাদেশ সময় রবিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৮
  • ১৪৩১ বার ভিউ করা হয়েছে

নিত্য-নতুন প্রযুক্তির যুগে মানুষের চাহিদার কোনো শেষ নেই। প্রতি মুহূর্তেই মানুষের চাওয়া-পাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে, মানুষের রুচিরও পরিবর্তন ঘটছে। মানুষের অন্যান্য মৌলিক চাহিদার মধ্যে পোশাক অন্যতম। একটা সময় পোশাক হলেই হতো, এখন আর তা নেই, যুগের সঙ্গে বদলে গেছে পোশাকের ট্রেন্ড। এখন মানুষ পোশাক নিয়ে একটু বেশিই সচেতন। অনেক সময় পোশাক হয়ে ওঠে একজন মানুষের ব্যক্তিত্বের ধারক। পোশাক সচেতন মানুষের কথা ভেবে আমাদের দেশে গড়ে উঠেছে অনেক ফ্যাশন হাউজ। এরমধ্যে বেশকিছু হাউজ ফ্যাশন সচেতন মানুষের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়েছে। এদেরই একটি ‘রঙ বাংলাদেশ’। হাউজটির স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার সৌমিক দাস। তার সঙ্গে কথা হয় বর্তমানে রঙ বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে…

আনন্দভুবন : দেশের ফ্যাশন জগতে ‘রঙ বাংলাদেশ’র সাফল্য কেমন বলে মনে হয় ?

সৌমিক দাস :  ফ্যাশন হাউজ ‘রঙ’ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পৃথকভাবে ‘রঙ বাংলাদেশ’র যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেই হিসেবে বলা যায়, এখন পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রেই সফলতা এসেছে। তবে একটা জিনিস ভেঙে নতুন করে গড়ে তুলতে গেলে সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়ে যায়। ‘রঙ বাংলাদেশ’ এখনো সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে।

আনন্দভুবন : বর্তমানে দেশীয় পোশাকের বাজার কেমন ?

সৌমিক দাস : দেশীয় পেশাকের বাজার ভালোই। তবে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য যে গুণগত কাঁচামাল এবং মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োজন তা থেকে আমরা অনেকটা পিছিয়ে আছি। এখন মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং অনলাইনের যুগে বাইরের দেশের পোশাক অবাধে দেশের বাজারে ঢুকে পড়ছে। যার জন্য দেশীয় পোশাক তৈরি এবং ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তারা একটা চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। অনেকেই বিদেশি পোশাক কিনে এনে ঘরে বসেই অনলাইনে পোশাক বিক্রি করছে। সে-সব বিদেশি পোশাকের গুণগত মানও অনেক সময় ভালো হয় না। আমাদের অপারেটিং এক্সপেরিয়েন্স আর অনলাইনে যারা এভাবে বিদেশি পোশাকের ব্যবসা করছেন তাদের অপারেটিং এক্সপেরিয়েন্সের মধ্যে অনেক তফাৎ। আমরা কাজ করছি দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং শ্রমের মাধ্যমে। ‘রঙ বাংলাদেশ’ সব সময়ই অনেক ফোকাসড হয়ে কাজ করে বলেই এখনো এত প্রতিকূলতার মধ্যে দেশীয় পোশাকের মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্য সর্বত্র তুলে ধরার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

আনন্দভুবন : ‘রঙ বাংলাদেশ’র যে চারটি সাবব্র্যান্ড রয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চাই ?

সৌমিক দাস : ‘রঙ বাংলাদেশ’র চারটি সাবব্র্যান্ড হলো ওয়েস্ট রঙ, রঙ জুনিয়র, শ্রদ্ধাঞ্জলি, আমার বাংলাদেশ। হৃদয়ে এবং বয়সে যারা তরুণ তাদের কথা বিবেচনা করে ট্রেন্ডি এবং ফ্যাশনেবল পোশাক রয়েছে ‘ওয়েস্ট রঙ’-এ। রঙ জুনিয়র-এ রয়েছে শিশুদের উপযোগী বিশেষ পোশাক। পরিবার ও সমাজে যাদের আমরা প্রতিদিন বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত করি তাদের জন্য ‘শ্রদ্ধাঞ্জলি’র বিশেষ পোশাক। ‘রঙ বাংলাদেশ’র সাবব্র্যান্ড ‘আমার বাংলাদেশ’র মাধ্যমে দেশি এবং বিদেশিদের কাছে পজিটিভ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরার প্রচেষ্টা করা হয়। দেশীয় পোশাক, স্মারক উপহার এবং স্যুভেনিয়র সামগ্রী-ই এই কালেকশনের মূল বৈশিষ্ট্য।

আনন্দভুবন : বর্তমানে কোন কোন বিষয় প্রাধান্য দিয়ে ‘রঙ বাংলাদেশ’ পোশাক তৈরি করছে ?

সৌমিক দাস : স্বাধীনতাদিবস, পয়লা বৈশাখ এসবকে কেন্দ্র করেই ‘রঙ বাংলাদেশ’ পোশাক তৈরি করেছে। তাছাড়া ঈদও যেহেতু প্রায় চলে এসেছে তাই ঈদের পোশাক নিয়েও কাজ চলছে। পয়লা বৈশাখে এবার তিনটি থিম নিয়ে কাজ করেছি। এগুলো হলো শীতলপাটি, মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং সাঁওতালদের দেয়ালচিত্র। এই তিনটি থিমকে পোশাকে তুলে ধরেছে ‘রঙ বাংলাদেশ’।

আনন্দভুবন : দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোর উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন ?

সৌমিক দাস : এক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অনেক বাড়াতে হবে। তা ছাড়া বিদেশি যেসব পোশাক আমদানি করা হয় সেগুলোর উপর বেশি পরিমাণে ভ্যাট নির্ধারণ করতে হবে।

আনন্দভুবন : ‘রঙ বাংলাদেশ’ নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী ?

সৌমিক দাস : বাংলাদেশের একটি ইউনিক ব্র্যান্ড হিসেবে ‘রঙ বাংলাদেশ’কে গড়ে তুলতে চাই। ইতোমধ্যে ‘রঙ বাংলাদেশ’ অনেক এগিয়ে গেছে ব্র্যান্ড হিসেবে। তবে এখনো আরো পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। হ

সাক্ষাৎকার ও লেখা : তৃষা আক্তার

পোস্টটি শেয়ার দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো আর্টিকেল
বেক্সিমকো মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে, ইকবাল আহমেদ কর্তৃক প্রকাশিত
Theme Customized BY LatestNews